বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সৎবাবা গ্রেপ্তার নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় আটক যুবদল নেতা, দল থেকে বহিষ্কার এক বছরের সাজা এড়াতে ৯ বছর পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার কালিমা পড়ে ইসলাম গ্রহণ করলেন অস্ট্রেলিয়ার ফুটবলার টেটে গাইবান্ধায় ২০২৫ সালের প্রশ্নে পরীক্ষা দিলেন এক কেন্দ্রের ২০ পরীক্ষার্থী বদলির ৮ দিন পরও বোদায় যোগদান করেননি বিতর্কিত সেই এসিল্যান্ড লালমনিরহাট টিটিসিতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন বোদায় ‘প্রক্সি শিক্ষক’ দিয়ে চলছে পাঠদান, বেহাল বিদ্যালয়ের পরিবেশ, স্থানীয়দের ক্ষোভ কক্সবাজার উখিয়ার বালুছড়ায় ১ লাখ ইয়াবাসহ আটক ১ পঞ্চগড়ে ট্রাক্টরের ধাক্কায় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিহত, আহত বাবা-মা
১০ টাকা কেজি ইলিশ বিক্রির ঘোষণা, জনতার চাপে পালালেন এমপি প্রার্থী

১০ টাকা কেজি ইলিশ বিক্রির ঘোষণা, জনতার চাপে পালালেন এমপি প্রার্থী

সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: মাত্র ১০ টাকা কেজিতে ইলিশ মাছ বিক্রির ঘোষণা দিয়ে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর, চরভদ্রাসন) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী রায়হান জামিল জনগণের চাপে প্রাণে বাঁচতে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে। মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার বিশ্ব জাকের মঞ্জিল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই ইলিশ বিক্রি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

জানাযায়, মাত্র ১০ টাকা কেজিতে ইলিশ বিক্রির মাইকিং শুনে বিভিন্ন গ্রাম থেকে প্রায় ১ হাজার মানুষ সেখানে জড়ো হন। কিন্তু পর্যাপ্ত মাছ না থাকায় উপস্থিত জনতার মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়। একপর্যায়ে জনতার চাপে মাছ রেখে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন রায়হান জামিল।

পরে তিনি ভাষণচর ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় পৌঁছালে ক্ষুব্ধ জনতা তার গাড়ি আটক করে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় স্থানীয় কয়েকজনের সহায়তায় কোনোমতে তিনি সেখান থেকে প্রাঁণে রক্ষা পান।

ইলিশ নিতে আসা স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আমরা শুনেছি ১০ টাকায় ইলিশ বিক্রি করা হবে। সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। কিন্তু মাছ পেলাম না। উল্টো ধাক্কাধাক্কি, মারামারি লেগে যায়। পরে দেখি প্রার্থী নিজেই পালিয়ে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে প্রার্থী রায়হান জামিল বলেন, আমি মানুষের উপকারের জন্যই ইলিশ বিতরণের উদ্যোগ নেই। কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিত ভিড় ও বিশৃঙ্খলার কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। নিরাপত্তাজনিত কারণে আমাকে দ্রুত সেখান থেকে সরে আসতে হয়।

সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকদেব রায় বলেন, এই বিষয়টি নিয়ে আমি আগেই রায়হান সাহেবকে সতর্ক করেছিলাম। তিনি আমাদের কথা না শুনে এ কার্যক্রম চানান। পরে বিশৃঙ্খলার খবর শুনে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। পুলিশ যাওয়া কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

স্থানীয়দের মতে, নির্বাচনী এলাকায় এ ধরনের প্রচারনা জনসাধারণের মাঝে বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা চলছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com